বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য বাড়াতে ‘নীতিগত সহায়তা’ চান প্রধানমন্ত্রী

রুদ্রবার্তা২৪.নেট: দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নীতিগত সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় এ সহায়তা চান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শিল্পের কাঁচামাল, তুলা, সয়াবিন এবং গমসহ বিভিন্ন ভোগ্য পণ্য আমদানি করি। এসব পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানিকারকরা বাংলাদেশে শূন্য শুল্ক উপভোগ করে। দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও সম্প্রসারণে পর্যাপ্ত নীতিগত সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের রপ্তানির বৃহত্তম গন্তব্য, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের বৃহত্তম উৎস, দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন অংশীদার এবং প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দ্রুত বর্ধনশীল অভ্যন্তরীণ বাজার এবং ক্রমবর্ধমান কানেক্টিভিটির সঙ্গে চার বিলিয়ন লোকের বিশাল আঞ্চলিক বাজার মার্কিন ব্যবসায়ী এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি লাভজনক বিনিয়োগের গন্তব্য। বিদেশি বিনিয়োগের সুবিধার্থে বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত অবকাঠামো, আইনি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নতি করে যাচ্ছে। আমাদের সরকার দ্রুত শিল্পায়নের লক্ষ্যে সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে।’

তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ ৬০টিরও বেশি দেশে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আইসিটি পণ্য রপ্তানি করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্যে পরিণত হচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য ইউএসএআইডি’র কমপ্রিনহেনসিভ প্রাইভেট সেক্টর মূল্যায়ন ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশে আইসিটি শিল্প ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় পাঁচগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং প্রায় পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে।’

বাংলাদেশের হাইটেক পার্কগুলোতে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তি সেক্টরে স্থানীয় ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ২৮টি হাই-টেক পার্ক তৈরি করছে।’ হাইটেক পার্কে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে আইসিটি খাতে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

Please follow and like us: