হিজলার দুর্গম জনপথে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম বাবুল মাতুববর ওরফে রাজাবাবুল

হিজলা প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার দুর্গম জনপদে সাধারণ কৃষকদের কাছে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম বাবুল মাতুববর।কে এই বাবুল মাতুববর তার আয়ের উৎস কি কি করে হলেন তিনি মাঝী থেকে কোটিপতি কার ইন্দনে দাবরিয়ে বেড়াচ্ছেন এলাকায়। তিনি জেলার হিজলা উপজেলার দুর্গম জনপদে নদীবেষ্টিত জানপুর নামক একটি ভূখণ্ডে রাম রাজত্ব কায়েম করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত। সার্বিক তদন্তে উঠে আসে তার বিরুদ্ধে এক অজানা কাহিনী। সরেজমিনে গিয়ে উক্ত এলাকায় সাধারণ জনগণের কাছে তার ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্ম অন্যায়-অত্যাচারের দুর্বিষহ করুন কাহিনী। তিনি উক্ত এলাকায় নামে-বেনামে ও সরকারি খাস সম্পত্তি দখল করে প্রায় এক হাজার একর জমি ভোগ দখল করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত। তার আছে বিশাল এক মহিষের পাল আছে শতাধিক গরু। পার্শ্ববর্তী দুইটি জেলায় আছে তার দুটি আলিশান বাড়ি।অথছ দশ বছর পুর্বে তিনি ছিলেন উক্ত এলাকার চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মিলন এর মাছ ঘাটের ট্রলারের মাঝী। তিনি একাধিক বিয়ে করে স্ত্রীদেরকে বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি নির্মাণ করে দিয়েছেন। তাছাড়া তার আছে মুলি ব্যবসা। উক্ত এলাকায় গরিব-দুঃখী মেহনতী মানুষ মাঝেমধ্যে বিপদে পরে টাকার প্রোয়োজন হলে কেবল তার কাছ থেকে নিতে হবে টাকা অন্য কারো থেকে ধার দেনা করা যাবে না। সেই টাকা সময়মত পরিশোধ না করতে পারলে ভুক্তভোগীদের হতে হয় তার দ্বারা লাঞ্ছিত অনেক সময় জোর করে নিয়ে যায় পালের গরু নিয়ে যায় গোলার ধান।এটা তার নির্দেশ উক্ত এলাকায় তার কথা ছাড়া কিছুই চলে না।আর সাধারণ কৃষকদের জমির ফসল উৎপাদন হলে তার ছাড়া অন্য কারও কাছে বিক্রি করতে পারবে না বাবুল মাতুব্বর এর অনুমতি ছাড়া।এই কথিত নির্দেশ যদি কেউ অমান্য করে তাহলে উক্ত কৃষকের জমির ফসল নষ্ট করে দেয় তার পালিত গরু মহীষের পাল দিয়ে উক্ত এলাকার মানুষ তার ভয়ে মুখ খুলতে পারছেনা।এই এলাকার নদীতে কোন জেলে মাছ শিকার করতে পারবেনা তার নির্দেশ ছাড়া।মাছ শিকার করতে হলে নিতে হবে তার অনুমতি দিতে হবে তাকে মোটা অংকের টাকা।এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বাবুল মাতবরকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, ভাই আমারে লইয়া আপনারা শুধু কেন কেন হয়রানি করছেন, এখানে অনেক সরকারি খাস জমি আছে আমি শুধু দশ একর ভোগদখল করি আর বাকি জমি আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবের সেটা আমি প্রতি কানি (১৬০শতাংশ)বছর ছয়হাজার টাকা করে তাকে দেই।আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যে আর মহীষ গরুর কথা সেটা আমার নয় শেখজালাল উদ্দিন নামের এক লোকের।এব্যাপারে উক্ত এলাকার চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মিলন বলেন ওখানে আমার অনেক জমি আছে সেটা আমি ওকে দিয়েছি চাষ করার জন্য।কিন্তু তার উপর আনিত অন্য অভিযোগের ব্যাপারে আমি জানিনা জেনে আপনাদেরকে বলতে পারব।

Please follow and like us: