নিপা হত্যাকান্ড মূলত আত্মহত্যা দাবী করে এলাকাবাসী’র মানবন্ধন

রুদ্রবার্তা২৪.নেট: বন্দরে নিপা হত্যাকান্ড ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা দাবী করে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে ঘারমোড়া ও চর ঘাড়মোড়া এলাকাবাসী। ২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাদ জুম্মা চরঘারমোড়া জামে মসজিদের সামনে এ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্টিত হয়।
এ সময় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তরা বলেন,আমরা চাই চরঘারমোড়া এলাকার এক সন্তানের জননী নিহত নিপা আক্তারের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হউক। তবে এই মামলায় নিরাপরাধ ব্যাক্তিরা অহেতুক কারাবরন করছে যা মেনে নেয়া যায় না। যারা কারাবরন তারা নিরাপরাধ। নাসিরগং পরিবারটিকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আসামী করে হাজতে পাঠিয়েছে। আত্নহত্যাকে হত্যা বলে চালিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা প্রশাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইনের কাছে চরঘারমোরা এলাকাবাসী ও পঞ্চায়েত কমিটির পক্ষ থেকে আমাদের বিনীত নিবেদন প্রকৃত ঘটনা যাচাই বাছাই করে প্রকৃত ঘটনাটি সামনে এনে সত্য প্রতিষ্ঠিত করা হোক। যে প্রকৃত অপরাধী তার বিচার হোক তা আমরা চাই। আমরা চাই মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠো তদন্তের মাধ্যমে নিদোর্ষ ব্যাক্তিদের মুক্তি দেওয়া হোক।
প্রসঙ্গত, ঐ মামলায় উল্লেখ করা হয় গত ৩ বছর পূর্বে বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিন –চরঘারমোড়া এলাকার নাসের মিয়ার ছেলে সজলের সাথে একই এলাকার আরম চাঁন মিযার মেয়ে নিপা আক্তারের বিয়ে হয়। তাদের সাংসারে ১ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে স্বামী সজল ও শ্বশুড় নাসের ও শ্বাশুড়ী আক্তারী বেগম, ছেলে মুন্না ও অনিক প্রায় সময়ে যৌতুকের জন্য ১ সন্তানের জননী নিপা আক্তারকে নানা ভাবে নির্যাতন করে আসছে। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় সজল অন্য একটি মেয়ের পরকিয়া প্রেমে আসক্ত হয়ে পরে। সজলের পরকিয়া প্রেমের বিষয়টি আমার মেয়ে নিপা আক্তার জানতে পেরে এ নিয়ে তাদের সংসারে ঝগড়া শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে স্বামী সজল, শ্বশুড় নাসের, শ্বাশুড়ী আক্তারী বেগম, ছেলে, মুন্না ও অনিক মিলে গৃহবধূ নিপাকে বেদম পিটিয়ে হত্যার জন্য গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়।

এ সময় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন চরঘারমোড়া জামে মসজিদ পঞ্চায়েত কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল মতিন বাবুল,সাবেক সহ-সভাপতি আবুল বাশার, নাজমুল হক শাহীন, নুর মোহাম্মদ ,আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতিকুল্ল্যাহ রতন প্রমূখ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, মাহবুবুল হক সেলিম, শাহাবুদ্দিন মোল্লা ,লিয়াকত আলী,সৈয়দ আহমেদ, ফরিদ আহমেদ, আলী আহমদ,হাজী শাহজামাল,মহিউদ্দিন,মজিবুর রহমান,মোঃ পনির, মোঃ হাশেমসহ স্থানীয় শতশত মুসল্লীবৃন্দ।

Please follow and like us: