সিদ্ধিরগঞ্জে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

রুদ্রবার্তা২৪.কম: নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এসও রোড এলাকার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী মোঃ আশরাফ উদ্দিন কে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (০৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে চার টায় গোদনাইল এসও রোড এলাকাস্থ আশরাফ উদ্দিন এর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদেরকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আশরাফ উদ্দিন জানায় আমি সরকারী নিয়ম নিতি অনুসরন করে ভ্যাট ট্যাক্স এবং ব্যাংকের পে অর্ডারের মাধ্যমে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে সুনামের সহিত সরবরাহ করে আসছি। একটি কুচক্রি মহল আমার ব্যবসার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অপচেষ্ঠায় লিপ্ত রয়েছে। তারা সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকায় এবং অনলাইনে আমাকে এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের জনপ্রিয় প্যানেল মেয়র-২ আলহাজ্ব মতিউর রহমান মতিকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট গল্প কাহিনি প্রচার করে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করছি, সংবাদপত্র জাতীর বিবেক তথা সমাজের আয়না। তাই কারো সম্পর্কে সংবাদ প্রচার করার ক্ষেত্রে বিবেক দিয়ে বিবেচনা করে সঠিক তথ্য এবং উপাত্ত সংগ্রহ করে উপস্থাপনের মাধ্যমে বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। কারোর প্ররোচনায় প্ররোচিত হয়ে ব্যাক্তি আক্রশের বলে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে কাউকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে না। তাই সংবাদ প্রকাশ করার ক্ষেত্রে যার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে তার সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করে সঠিক তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে জণসাধারণকে সঠিক সংবাদ পৌছে দেওয়া উচিত। তাহলেই সমাজ এবং জাতি উপকৃত হবে ।
তিনি আরও বলেন, আমি ব্যবসার পাশপাশি গোদনাইল ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক ইউনিয়ন মেঘনা ডিপো শাখার সভাপতি এবং কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য হওয়ায় সাংগঠনিক কাজে শ্রমিকদের স্বার্থে শুধু নারায়ণগঞ্জ নয় সারা বাংলাদেশের প্রশাসন এর সাথে সম্পর্ক রাখতে হয়। যখন কোন গাড়ি দূর্ঘটনার শিকার হয় কিংবা ট্রাফিক পুলিশের হয়রানির শিকার হয় তখন তাদের কাছেই যেতে হয় বিধায় তাদের সাথে সম্পর্ক। প্রশাসনের সকল দপ্তরে টাকা দেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহিন। এছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে আমার কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নাই। আমি নাবালক থাকা অবস্থায় ই গাড়ীর মালিক যার নাম্বার – ঢাকা মেট্রো-৩৬৪৪। ঐ গাড়ীটির চালক ছিলেন নাসিক ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের বিয়াই জয়নাল আবেদিন। এই ব্যবসার পূর্ব থেকেই আমার বাবা বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক ছিলেন। ৯০ সালে আমার বাবা আমাদের বাড়িতে ২য় তলা একটি ভবন তৈরী করেন। বর্তমানে আমি এবং আমার পরিবার সেখানে বসবাস করছি। ৯৫ সালে ৭ নং ওয়ার্ডের কদমতলী নাভানা ভূইয়া সিটির মাঠে ২ বিঘা, ৯৯ সালে ৬ নং ওয়ার্ডের সুমিল পাড়ায় ৫ শতাংশ ও অন্য দাগে ১০ শতাংশ এবং ২০০১ সালে ১৫ শতাংশ জমি বিক্রি করেছি। আমার বর্তমান ব্যবসার অবস্থান থেকে পূর্বেই পিতার অনেক সম্পত্তি বিক্রি করে ফেলেছি। আমি কোন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত নহি। ব্যবসার পাশাপাশি সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে নিজিকে নিয়োজিত করি। কিন্তু একটি কুচক্রি মহল গণমাধ্যম কর্মীদেরকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় করার জন্য অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সুমিলপাড়া ইউনিয়ণ আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন, ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন গোদনাইল মেঘনা ডিপো শাখার সাধারন সম্পাদক আব্দুল আজিজ ও যুবলীগ নেতা মোল্লা ওহাব প্রমূখ।

Please follow and like us: